শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার লাঙ্গলবন্দে ব্রহ্মপুত্র নদে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অষ্টমী পুণ্যস্নান উৎসবে ভিড়ে পদদলিত হয়ে ১০ জনের মৃত্যু এবং অর্ধতাধিক আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৭ জন নারী এবং ৩ জন পুরুষ রয়েছেন। তাদের সবাই পঞ্চাশোর্ধ্ব বলে জানা গেছে। প্রতিবছর চৈত্র মাসের শুক্ল পক্ষের অষ্টম তিথিতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে এই স্নান উৎসব হয়। ১৫ লাখের […]
শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার লাঙ্গলবন্দে ব্রহ্মপুত্র নদে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অষ্টমী পুণ্যস্নান উৎসবে ভিড়ে পদদলিত হয়ে ১০ জনের মৃত্যু এবং অর্ধতাধিক আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৭ জন নারী এবং ৩ জন পুরুষ রয়েছেন। তাদের সবাই পঞ্চাশোর্ধ্ব বলে জানা গেছে। প্রতিবছর চৈত্র মাসের শুক্ল পক্ষের অষ্টম তিথিতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে এই স্নান উৎসব হয়। ১৫ লাখের বেশি পুণ্যার্থী স্নানের মধ্য দিয়ে পাপ মোচনের লক্ষ্যে ব্রহ্মপুত্র তীরে আসেন। শুক্রবার ভোর ৫টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে স্নান উৎসব শুরু হয়। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুণ্যার্থীদের ঢল নামে। স্নান উৎসব উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এবার স্নানোউৎসবে প্রায় ২০ লাখ পূণ্যার্থী অংশ নেয়ার কথা।
লাঙ্গলবন্দ স্নান উৎসব উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাসু দেব চক্রবর্তী বলেন, “কচুরিপানা পরিস্কার করলেও আবার তা ভরে গেছে। এরইমধ্যে পুণ্যার্থীদের ঢলে আমরা তো মানুষের জীবন নিয়েই চিন্তিত হয়ে গেছি।”
পুণ্যার্থীদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তারা। নিহতদের সৎকারের জন্য প্রত্যেকের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন।