চলচ্চিত্রের উন্নয়নে ফিল্ম সিটি নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চলচ্চিত্র নির্মাতা, শিল্পী ও কলাকুশলী-কে শিল্প হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চলচ্চিত্রের কাক্সিক্ষত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ফিল্ম নীতিমালা ২০১০ প্রবর্তন এবং ফিল্ম সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মাস্টার প্লান প্রণয়ন এবং এফডিসির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের জন্য ৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে […]
চলচ্চিত্রের উন্নয়নে ফিল্ম সিটি নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চলচ্চিত্র নির্মাতা, শিল্পী ও কলাকুশলী-কে শিল্প হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চলচ্চিত্রের কাক্সিক্ষত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ফিল্ম নীতিমালা ২০১০ প্রবর্তন এবং ফিল্ম সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মাস্টার প্লান প্রণয়ন এবং এফডিসির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের জন্য ৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দর্শককে হলমুখী করতে আমরা নানা পদক্ষেপ নিচ্ছি। এফডিসি ও সিনেমা হলগুলোকে আরও আধুনিক করে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার। নতুন সিনেপ্লেক্স নির্মাণের জন্য কর অব্যাহতির সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৩৫ শতাংশ সম্পূরক কর প্রত্যাহার করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে টিকে থাকতে হবে। সে ব্যাপারে সকলকে প্রস্তুতি নিতে হবে। সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে। ইতোমধ্যে ১০টি সিনেমা হল ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ৩শটি সিনেমা হল ডিজিটাল করা হবে। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণেও সরকার অনুদান দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সুস্থধারার চলচ্চিত্র নির্মাণকে উৎসাহিত করতে প্রতি বছর ৬-৭টি পূর্ণ দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য সরকারি অনুদান দেওয়া হচ্ছে। বিগত ৬ বছরে এ জন্যে ৮ কোটি টাকার বেশি অনুদান দিয়েছে সরকার।
২৫টি শাখায় ২৯ জন শিল্পী ও কলাকুশলী ২০১৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার পেয়েছেন।
বিনোদন ডেস্ক :