মার্চ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত অফিসে স্যুট-টাই না পরার নির্দেশনা থাকলেও সোমবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে যেসব মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ওই পোশাক পরে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তাদের ‘বকা’ দিয়েছেন বলে কয়েকজন মন্ত্রী জানিয়েছেন। আনুষ্ঠানিক বাধ্যবাধকতা ছাড়া মার্চ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত অফিসে স্যুট-টাই না পরতে ২০০৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর সরকারি, আধা-সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি নির্দেশনা জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ২০১২ […]
মার্চ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত অফিসে স্যুট-টাই না পরার নির্দেশনা থাকলেও সোমবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে যেসব মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ওই পোশাক পরে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তাদের ‘বকা’ দিয়েছেন বলে কয়েকজন মন্ত্রী জানিয়েছেন।
আনুষ্ঠানিক বাধ্যবাধকতা ছাড়া মার্চ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত অফিসে স্যুট-টাই না পরতে ২০০৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর সরকারি, আধা-সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি নির্দেশনা জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
২০১২ সালের ৫ জুন নতুন করে ওই আদেশ ফের প্রকাশ করে স্যুট-টাইয়ের পরিবর্তে প্যান্ট ও শার্ট (অর্ধ/পুরাহাতা) পরার কথা মনে করিয়ে দেয় সরকার।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মন্ত্রী বলেন, “বৈঠকের শুরুতেই কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গরমে স্যুট-টাই পরে এসেছেন কেন? “এটা কি আমাদের ড্রেস না কি? ওগুলো ব্রিটিশদের ড্রেস। ব্রিটিশদের গোলামী করেছেন, তার অভ্যাস এখনও যায়নি।”
ওই সময় রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হক, শ্রম প্রতিমন্ত্রী মজিবুল হক চুন্নু, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন স্যুট-টাই পরে মন্ত্রিসভা কক্ষে অবস্থান করছিলেন বলে একজন প্রতিমন্ত্রী জানান। মন্ত্রিসভা বৈঠকের ছবিতে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনকেও স্যুট পরা অবস্থায় দেখা যায়।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, পরিকল্পনামন্ত্রী মুস্তফা কামালসহ বেশ কয়েক মন্ত্রী স্যুট পরলেও এদিন টাই পরেননি বলে জানান ওই মন্ত্রী।
সূত্র আর জানায়, যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ফিসফিস করে প্রধানমন্ত্রীকে কিছু একটা বলেন। এরপরেই স্যুট-টাই নিয়ে কথা বলা শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই মন্ত্রী বলেন, “স্যুট-টাই পরা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কথা বলার পর একজন মন্ত্রী পাজামা-পাঞ্জাবি পরে আসবেন কি না, জানতে চেয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তখন সরকারের নির্দেশনার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।”