ঢাকার পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় কারাগারে বন্দী বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন পিন্টু (৪৮) মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)। হৃদরোগ আক্রান্ত হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান বলে কারা কর্তৃপক্ষ দাবি করছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি […]
ঢাকার পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় কারাগারে বন্দী বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন পিন্টু (৪৮) মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)। হৃদরোগ আক্রান্ত হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান বলে কারা কর্তৃপক্ষ দাবি করছে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “রোববার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে নাসিরউদ্দিন পিন্টুকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। তখন তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার জন্য হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগে পাঠালে তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”
ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির।
রাজশাহী কারাগারের জেলার ও সুপারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি। তবে রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিআইজি (প্রিজন) বজলুর রশিদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, রোববার সকালে বুকে ব্যথা অনুভব করলে পিন্টুকে রাজশাহী কারাগার থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১২.২০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সাংসদ নাসিরউদ্দিন পিন্টু পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। এ ছাড়া অবৈধভাবে অস্ত্র লুণ্ঠনের দায়ে পিন্টুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত।
বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহমদ পিন্টু এবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু বিডিআর বিদ্রোহের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।