রাজধানীর কদমতলী থানায় দায়ের করা গাড়ি ভাঙচুরের একটি মামলায় জামিন পেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল ঢাকার অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর কবির রাজ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর এ মামলায় ফখরুলসহ তিন জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত। ওইদিন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইউনুস খান পুলিশের দাখিল […]
রাজধানীর কদমতলী থানায় দায়ের করা গাড়ি ভাঙচুরের একটি মামলায় জামিন পেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল ঢাকার অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর কবির রাজ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর এ মামলায় ফখরুলসহ তিন জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত। ওইদিন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইউনুস খান পুলিশের দাখিল করা অভিযোগপত্রটি আমলে নিয়ে অনুপস্থিত আসামিদের বিরুদ্ধে ওই পরোয়ানা জারি করেন। গত ১৬ জানুয়ারি এ মামলায় মির্জা ফখরুল ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদসহ ৬১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। মামলার ৫৮ জন আসামি জামিনে থাকলেও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং মোহাম্মাদ আলী ও নাসির নামে আরো দুই আসামি ‘পলাতক’ থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বরের অবরোধ কর্মসূচিতে রাজধানীর পোস্তগোলার ঈগল বক্স ফ্যাক্টরির সামনে আসামিরা টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তায় যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে গাড়িতে আগুন দেয় এবং পুলিশের ওপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে তারা একটি তেলবাহী গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে আরো বলা হয়, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উসকানিমূলক বক্তব্য ও প্ররোচনাতেই আসামিরা রাস্তায় এসব অপকর্ম করে। এরআগে ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর কদমতলী থানায় দায়ের হওয়া এ মামলার এজাহারে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদসহ ৭৭ জনের নাম ছিল। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম আসামির তালিকায় না থাকলেও এজাহারের বক্তব্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল।