Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ nobodharanews

অর্থ-বাণিজ্য
৫:৫৯ পিএম, ১৩ অক্টোবর ২০১৪

বাংলাদেশের গার্মেন্ট সামগ্রীতে জার্মানির ব্যাপক আগ্রহ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার : তুলনামূলক দাম কম ও মানসম্পন্ন হওয়ায় বাংলাদেশের গার্মেন্ট সামগ্রীই নিতে চান বলে জানিয়েছেন জার্মানির ক্রেতারা। সম্প্রতি দেশটির স্ট্যাটগার্টে গার্মেন্ট শিল্প নিয়ে আয়োজিত এক  সেমিনারে তারা এ আগ্রহের কথা জানান। সেমিনারে বাংলাদেশ, মায়ানমার ও ইথিওপিয়ার রফতানিকারকরা অংশ নেন। ফরেন ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন অফ জার্মান রিটেইল ট্রেড, আইএইচকে, জার্মান এশিয়া প্যাসিফিক বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ-জার্মান […]

বাংলাদেশের গার্মেন্ট সামগ্রীতে জার্মানির ব্যাপক আগ্রহ
২ মিনিটে পড়ুন |

1অর্থনৈতিক রিপোর্টার : তুলনামূলক দাম কম ও মানসম্পন্ন হওয়ায় বাংলাদেশের গার্মেন্ট সামগ্রীই নিতে চান বলে জানিয়েছেন জার্মানির ক্রেতারা। সম্প্রতি দেশটির স্ট্যাটগার্টে গার্মেন্ট শিল্প নিয়ে আয়োজিত এক  সেমিনারে তারা এ আগ্রহের কথা জানান।
সেমিনারে বাংলাদেশ, মায়ানমার ও ইথিওপিয়ার রফতানিকারকরা অংশ নেন। ফরেন ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন অফ জার্মান রিটেইল ট্রেড, আইএইচকে, জার্মান এশিয়া প্যাসিফিক বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ-জার্মান চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এ সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারের আন্তর্জাতিক বাজারে চিত্র বিশ্লেষণে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফরেন ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন অফ জার্মান রিটেইল ট্রেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর স্টিফান ওয়েংলার। তিনি বলেন, চীন তার উৎপাদন খরচ বেশি বিবেচনায় বিভিন্ন দেশে বাজার হারাচ্ছে। এমনকি তাদের দেশেও এর প্রভাব পড়েছে। তুরস্কও দীর্ঘদিন ধরে থাকা তার অবস্থান ২০১৩ সালে বাংলাদেশের কাছে হারিয়েছে। গত ১০ বছর ধরে বাংলাদেশ ধারবাহিকভাবে গার্মেন্ট রফতানি বাড়িয়ে চলছে।
ভবিষ্যতে গার্মেন্ট ব্যবসা ৫টি শর্ত পূরণের ওপরই নির্ভর করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এগুলো হচ্ছে- শ্রম মজুরি, পরিবহন খরচ, তুলার মূল্য, অবকাঠামো এবং সাপ্লাইয়ার ও রিটেইলার সুসম্পর্ক। সেমিনারে বোর্ড অফ জার্মান এশিয়া প্যাসিফিক বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী সদস্য টিমো প্রিকপ বলেন, বাংলাদেশ খুচরা ক্রেতাদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় দেশ। আরও ভালো হতে পারে। রানা প্লাজা ট্রাজেডির পর এ খাতটিতে অনেক ভালো কিছু হয়েছে বলেও যোগ করেন তিনি।
জার্মার ভিত্তিক মান পরীক্ষণ কোম্পানি টুভারইনল্যান্ড’র জিএম বার্নড হেজেন বলেন, বাংলাদেশি  পোশাকের মান সবসময় উঁচু। বাংলাদেশের
চেয়ে অনেক বড় দেশেরই ফেইলর রেকর্ড বেশি।
যদি বাংলাদেশ এ খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং কমপ্ল্যায়েন্স ইস্যু ঠিকমতো পরিপালন করতে পারে তবে এ সেক্টরটি সবচেয়ে ভালো করতে পারবে। এতে অন্যদের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, বিজিএমইএ প্রেসিডেন্ট আতিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।
উল্লেখ্য, বর্তমানে ২৮টি ইউরোপিয়ান দেশগুলোর মধ্যে জার্মানিতেই সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি পণ্য রফতানি হয়ে থাকে। এর মধ্যে হুগো বস, অ্যাডিডাস, অলিম্প, কেআইকে, এস.ওলিভার ও গেরি ওয়েবারও বাংলাদেশ থেকে পণ্য নিয়ে থাকে। ইপিবি হিসাব মতে, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৪ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার পণ্য দেশটিতে রফতানি করেছে বাংলাদেশ। – See at: http://www.dailyinqilab.com/2014/09/30/209399.php#sthash.xUkFVMcv.dpuf

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

এটিএমে পিনের বিকল্প ‘আঙুলের ছাপ’
১১ বছর আগে

Advertise with us
Advertise with us
আরও nobodharanews সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com