Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ nobodharanews

অর্থ-বাণিজ্য
৭:৫৪ পিএম, ১২ এপ্রিল ২০১৪

সীতাকুন্ডে আরো একটি মিল বন্ধ হয়ে গেলো

সীতাকুন্ড উপজেলা সংবাদদাতা  : সীতাকুন্ডে ক্রমাগত লোকসানে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কিছুদিন আগে উপজেলার অন্যতম পাটকল আনোয়ারা জুট মিলস বন্ধ হয়ে হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ার রেশ কাটতে না কাটতে এবার বন্ধ হয়ে গেল সানম্যান টেক্সাটাইল মিলস। এতে ঐ কারখানায় কর্মরত স্থায়ী-অস্থায়ী ১৬শ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। কর্মহীন এসব শ্রমিককের মধ্যে […]

সীতাকুন্ডে আরো একটি মিল বন্ধ হয়ে গেলো
২ মিনিটে পড়ুন |

সীতাকুন্ড উপজেলা সংবাদদাতা  : সীতাকুন্ডে ক্রমাগত লোকসানে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কিছুদিন আগে উপজেলার অন্যতম পাটকল আনোয়ারা জুট মিলস বন্ধ হয়ে হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ার রেশ কাটতে না কাটতে এবার বন্ধ হয়ে গেল সানম্যান টেক্সাটাইল মিলস। এতে ঐ কারখানায় কর্মরত স্থায়ী-অস্থায়ী ১৬শ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। কর্মহীন এসব শ্রমিককের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সামাল দিতে মিল অভ্যন্তরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কদমরসুল কেশবপুরে অবস্থিত মেজর (অবঃ) মোঃ আব্দুল মান্নানের মালিকানাধীন সানম্যান টেক্সটাইল মিলস গত বুধবার দুপুরের পর থেকে বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এতে মিলের শ্রমিকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ হয়ে তারা মিলের ভেতরে বিক্ষোভ শুরু করলে কর্তৃপক্ষ পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করে। গত বৃহস্পতিবার সরেজমিন কারখানায় গিয়ে দেখা যায় কারখানা বন্ধ থাকলেও শ্রমিকরা মালিক পক্ষের সুদৃষ্টি চেয়ে গেটের বাইরে অপেক্ষা করছে। এ সময় কারখানা বন্ধের জন্য শ্রমিক ও মালিক পক্ষ পরস্পরকে দায়ী করেছে। সানম্যান টেক্সাটাইল মিলের এক শ্রমিক নাছিমা আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আমরা অত্যন্ত অল্প মজুরিতে এই কারখানায় পেটের দায়ে কাজ করছি। তবুও মিল চালু করতে টাকার দরকার হলে প্রয়োজনে আমরা বেতনের অর্ধেক মালিককে দিয়ে দেব। কিন্তু যে কোন মূল্যে যেন মিলটি চালু করা হয় সেটাই আমাদের চাওয়া।’ এই মিলের শ্রমিক নেতা নারায়ণ পাল অভিযোগ করে বলেন, এখানে স্থায়ী ও অস্থায়ী ১৬শ শ্রমিক কাজ করেন। তাদের পাওনা পরিশোধ না করেই কর্তৃপক্ষ হঠাৎ মিল বন্ধের নোটিশ লাগিয়ে দিয়েছে। তিনি অবিলম্বে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধপূর্বক মিলটি চালুর দাবি জানান। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শ্রমিকলীগের শ্রম সম্পাদক শ্রমিক নেতা নুর আহাম্মদ বলেন, মাত্র কিছুদিন আগে বাড়বকুন্ডের আনোয়ারা জুট মিলস বন্ধ হয়ে হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। এবার কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সানম্যান টেক্সটাইল মিলস বন্ধ করে দিয়েছে মালিক পক্ষ। এ ধরনের সিদ্ধান্ত একেবারেই অনৈতিক বলে তিনি জানান। এদিকে মিল বন্ধের জন্য শ্রমিকদেরই দায়ী কেেরছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

এটিএমে পিনের বিকল্প ‘আঙুলের ছাপ’
১১ বছর আগে

Advertise with us
Advertise with us
আরও nobodharanews সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com