খালি পায়ে হাটি মাটির পরশ নিতে নৈসর্গের কাছে যেতে যেন পারি যদি নিসর্গ হাত রাখে মোর হাতে তবে যেন তারে একটু সুধাতে পারি . তোমার গর্ভে যত আছে উর্বশী, কেউ কি তার চেয়ে শ্রীমন্ত আছে বলো ? যার কথা ভেবে কবিতা লিখতে বসি অজান্তিই আাখি হয়ে উঠে টলমল ! . পূর্ণিমা রাতে জোছনা বিলায় চাঁদ […]

খালি পায়ে হাটি মাটির পরশ নিতে
নৈসর্গের কাছে যেতে যেন পারি
যদি নিসর্গ হাত রাখে মোর হাতে
তবে যেন তারে একটু সুধাতে পারি
.
তোমার গর্ভে যত আছে উর্বশী,
কেউ কি তার চেয়ে শ্রীমন্ত আছে বলো ?
যার কথা ভেবে কবিতা লিখতে বসি
অজান্তিই আাখি হয়ে উঠে টলমল !
.
পূর্ণিমা রাতে জোছনা বিলায় চাঁদ ।
প্রেয়সী তুমি, এলে আকাশের নিচে
যে চাঁদের রূপে সকলেই উম্মাদ
তোমায় দেখে সে লুকাবে মেঘের পিছে ।
.
নিসর্গ তুমি সত্যিই যদিই – বলো-
অভিরুচি মোর কতটাই অযৌক্তিক !
তুমি যদি মোর পক্ষে আঙুল তোলো
নিশ্চই কেউ তোমায় দিবে না ধিক ।
.
হে চিরচেনা প্রণয়ী-কান্তা মোর-
যদি কখনো ছেড়ে চলেযাও দূরে ।
একবার ভেব খুলে বিবেকের দোর-
কি করে বাঁচব ভবের আস্তা কুঁড়ে !