বছর দশেক আগেও ব্যাটা ছিলা সাদা দলে সুযোগ বোঝে পল্টি মেরে আসলে নীলের তলে, ভাইয়েরা ভাইয়ের তেলেসমাতে কপাল খুলে যায় ভাবী নাকি আগের মতোই একই থালে খায়! এতিম বলে এতিমেরে কাছে টানো বেশ না-কি কাজ ফুরালে ছুঁড়ে ফেলো পত্রিকাতে দেখি! কোটি টাকার গোবরে ভার্সিটিটা ঢাকা চায়ের বিলে চোখ কপালে, কোষাগার ফাঁকা। ভার্সিটির কাজ কি জিজ্ঞাসিলে […]
বছর দশেক আগেও ব্যাটা ছিলা সাদা দলে
সুযোগ বোঝে পল্টি মেরে আসলে নীলের তলে,
ভাইয়েরা ভাইয়ের তেলেসমাতে কপাল খুলে যায়
ভাবী নাকি আগের মতোই একই থালে খায়!
এতিম বলে এতিমেরে কাছে টানো বেশ না-কি
কাজ ফুরালে ছুঁড়ে ফেলো পত্রিকাতে দেখি!
কোটি টাকার গোবরে ভার্সিটিটা ঢাকা
চায়ের বিলে চোখ কপালে, কোষাগার ফাঁকা।
ভার্সিটির কাজ কি জিজ্ঞাসিলে তোমায়
সারাদেশে প্রকম্পন তোমার মুখের বোমায়!
মহান তুমি না থাকিলে রাস্তায় ওরা ঘুরতো!
আমিও ভাবি, আহা! কোথায় ওরা পড়তো?
মাঝে মাঝে বকে দাও একদম সাচ্চা
ছেলে ভেবে বলো নাকি জানোয়ারের বাচ্চা!
একটু যদি সত্য বলো, বলবে কি আচ্ছা?
বাপে তোমায় ডাকতো কি শুয়োরের বাচ্চা?
তোমার পোষা চাটুকার আরও গুণ্ডাদলে
শিক্ষার্থীদের মারতে চায় পিষে যাঁতাকলে,
সময় থাকতে চলে যাও করোনা জোরাজোরি
কান টেনে পথে নামালে করবে আহাজারি।
ভার্সিটি কি বাপের দেওয়া পৈত্রিক বাড়ি ভিটা?
ভিসি পদে থাকতে কেন লাগে এতো মিঠা?
নির্লজ্জের কী লজ্জা থাকে খেলেও থাপ্পড়!
যাবে কবে বলো? ওহে লোভী খচ্চর।
সূত্র: দশ দিগন্ত